উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ফৌজদারি দণ্ডবিধি সংশোধন অথবা পৃথক নতুন আইন করার পরিকল্পনা করছে সরকার। নতুন এই আইনি ব্যবস্থায় চাঁদাবাজির শিকার ব্যক্তি ভয়ে মামলা করতে না চাইলেও পুলিশ নিজে বাদী হয়ে ব্যবস্থা নিতে পারবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ এই পরিকল্পনার কথা জানান।
মন্ত্রী জানান, চাঁদাবাজদের পাশাপাশি তাঁদের পেছনে থাকা গডফাদারদের শনাক্ত করতে বডি ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ধারণ করা অডিও ও ভিডিও রেকর্ড আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা হবে। অপরাধীরা যেন সামান্য শাস্তি বা জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়াতে না পারে, সে জন্য কঠোর সাজার বিধান রাখা হচ্ছে।
বৈঠকে ২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানে বিতর্কিত ভূমিকা থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থা সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত এএসপি থেকে তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার ১৪৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পলায়নের অভিযোগে ৬২ জন বিসিএস পুলিশ ক্যাডার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে গত বছরের তুলনায় ধর্ষণ, মাদক ও চুরির মামলা বেড়েছে। তবে খুন, ডাকাতি ও নারী নির্যাতনের মামলা আগের চেয়ে কমেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই তুলনামূলক চিত্রে সংসদীয় কমিটির সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
বৈঠকে মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি জানান, মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের প্রলোভন দেখিয়ে ইয়াবায় অভ্যস্ত করা হচ্ছে। মাদক প্রতিরোধে কার্যকর নীতি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।