উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নেপালের গোরখা জেলায় বুড়ি গণ্ডকী নদীর তীরবর্তী এলাকায় রোববারের ভয়াবহ বন্যার ক্ষয়ক্ষতির চিত্র এখন স্পষ্ট। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, বন্যায় ২০০টি বাড়ি ও পাঁচটি সেতু ভেসে গেছে। এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর নিশ্চিত না হলেও অন্তত ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ক্ষতিগ্রস্তরা ধ্বংসস্তূপ থেকে অবশিষ্ট সম্পদ উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। স্থানীয় বাসিন্দা লাল কুমারী থাপা জানান, তার কলার বাগানসহ সবকিছু বন্যায় তলিয়ে গেছে। এছাড়া অজয় গুরুং নামের আরেক ব্যক্তি জানান, চোখের সামনেই তার দোকান ও গবাদিপশু ভেসে গেছে, এখন নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই শুরু করতে হবে তাকে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান ধরম রাজ উপ্রেতি জানিয়েছেন, পাথর ও বরফের ধসের কারণে এ বন্যার সৃষ্টি হতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পাহাড়ি এলাকায় একের পর এক দুর্যোগ ঘটছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আগস্ট মাসে রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ বন্যায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ মারা যান এবং ৫ সহস্রাধিক মানুষ নিখোঁজ হন। গত মাসেও ভারী মৌসুমি বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একের পর এক দুর্যোগের ঘটনায় পাহাড়ি জনবসতিগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।