উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ভারতে এসআইআর বা ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও বিক্ষোভ দানা বেঁধেছে। সমালোচকদের দাবি, এই প্রক্রিয়ায় মুসলিম, সংখ্যালঘু এবং দরিদ্র ও নিম্নবর্ণের মানুষকে পরিকল্পিতভাবে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের সাহিদা ফকিরের মতো বহু বৈধ নাগরিকের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সাহিদা নিজের ভারতীয় জন্মনিবন্ধন ও জমির দলিল দেখালেও তাঁকে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এস ওয়াই কুরেশি এই প্রক্রিয়াকে মুসলিমদের হয়রানির একটি পরিকল্পিত কৌশল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য প্রক্রিয়াটি নিয়ে আপত্তি জানালেও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তা একতরফাভাবে খারিজ করে দেন। সাবেক নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা এই অন্যায্য প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। সুশীল সমাজের মতে, ভোটার তালিকার শুদ্ধতার নামে আসলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করা হচ্ছে।
বিজেপি অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘অপতথ্য’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। বিজেপির মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদীর দাবি, বিরোধীরা বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব প্রচার চালাচ্ছে। তবে কমিশনের সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপ ও ভোটারদের ক্ষোভ প্রমাণ করে যে এসআইআর প্রক্রিয়াটি নিয়ে বড় ধরনের আইনি ও রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে।