উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আজ শনিবার জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাঠামোগত সংস্কারে রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে এই সনদ তৈরি করা হয়েছিল। তবে বাস্তবায়নের প্রশ্নে এক বছরের মধ্যেই রাজনৈতিক বিভাজন বড় আকারে সামনে এসেছে।
কিছু মৌলিক সংস্কার প্রস্তাব এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন ছিল আগে থেকেই। এক বছরের মাথায় এসে সনদে স্বাক্ষরকারী দলগুলো মোটাদাগে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার যে প্রক্রিয়া নির্ধারণ করেছিল, তা বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি সেভাবে অনুসরণ করছে না।
সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে বিএনপি একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি করেছে, যা বিরোধী দল প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি করে আসছে। অন্যদিকে বিশেষ কমিটি আশা করছে, শেষ পর্যন্ত বিরোধী দল সংসদে সংবিধান সংশোধন বিলের আলোচনায় অংশ নেবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রকাঠামোর সংস্কার সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হয়ে ওঠে। দীর্ঘ আট মাস ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনার পর এই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ তৈরি হয়। সনদে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব রয়েছে, যার মধ্যে ৪৮টি সংবিধান-সম্পর্কিত।