উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
করোনা আক্রান্ত হয়ে ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর মারা যান সাংবাদিক ও প্রথমা প্রকাশনের সমন্বয়ক অরুণ বসু। প্রতিবছর তাঁর মৃত্যুদিনে বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীরা একত্র হন এবং তাঁকে স্মরণ করেন। গত বছর অরুণ বসুর স্মরণসভায় অংশ নেওয়া ছড়াকার শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেনও গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রয়াত হয়েছেন। আজ শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসায় ঘরোয়া আয়োজনে গান, কবিতা ও স্মৃতিচারণায় দুজনকে স্মরণ করা হয়।
স্মৃতিচারণায় বন্ধু-শুভানুধ্যায়ীরা বলেন, অরুণ বসু ও আখতার হুসেনের মৃত্যুতে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুজনই ছিলেন সৃজনশীল, প্রতিভাবান ও জাতিকে স্বপ্ন দেখানোর মানুষ। চব্বিশের পরিবর্তনের পর তাঁদের আরও বেশি প্রয়োজন ছিল। রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী বুলবুল ইসলামের কণ্ঠে গান দিয়ে এই ঘরোয়া স্মরণসভা শুরু হয়।
আলোচনার সূত্রপাত করেন প্রয়াত অরুণ বসুর ঘনিষ্ঠ বিপ্লব বালা। নাট্যব্যক্তিত্ব, গবেষক ও আবৃত্তি প্রশিক্ষক বিপ্লব বালা বলেন, অরুণ বসুর মৃত্যুবার্ষিকীতে কাছের লোকেরা একত্র হন এবং গত বছরের আয়োজনে আখতার হুসেনও এসেছিলেন। জাতীয়তাবাদ ও বামপন্থা—নাগরিক সমাজের এই দুই ধরনের প্রবণতার প্রতিনিধি ছিলেন অরুণ বসু ও আখতার হুসেন।
চরচার সম্পাদক সোহরাব হাসান বলেন, দুজনের মৃত্যু চোখের সামনে হয়েছে এবং তাঁরা জাতিকে স্বপ্ন দেখানোর মানুষ ছিলেন। অরুণ বসুর বন্ধু নিমাই গাঙ্গুলি বলেন, দেশ, স্বাধীনতা ও জাতিসত্তার জন্য দুজনের আদর্শিক মিল ও অঙ্গীকার ছিল। স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন ও শিল্পীরা গান ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন।