উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, লিবারেশনের ছাত্রসংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লি পুলিশ আইনের ৬৫ ধারায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে যন্তর মন্তরের কাছ থেকে তাঁকে আটক করা হয়েছিল এবং গত ১০ অক্টোবরও তাঁকে একবার আটক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬/১৭০ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাঁকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে বলে জানা গেছে। তবে সিজেপির দাবি, দিপকেকে একটি অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সিজেপির পক্ষ থেকে অজিঙ্কা শিন্ডে এএনআইকে জানিয়েছেন, দিপকেকে আটকের আট ঘণ্টার বেশি পেরিয়ে গেলেও তাঁর অবস্থান অজানা। তাঁকে আইনজীবী বা দলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না এবং কী কারণে তাঁকে আটক করা হয়েছে তাও জানানো হয়নি। গত শুক্রবার নয়াদিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে কর্মসূচি শুরুর আগেই তাঁকে বাসা থেকে আটক করা হয়।
করোলবাগের ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির মুখপাত্র অনীশ গাওয়ান্ডের বাসা থেকে দিপকেকে তুলে নেওয়া হয় এবং এক সপ্তাহের মধ্যে এটি তাঁর দ্বিতীয় দফা আটকের ঘটনা। একই সময়ে পুলিশ কনট প্লেসে জমায়েত হওয়া বিশাল জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এর আগে সেন্ট্রাল পার্কে ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ মার্চ কর্মসূচির আয়োজন করার কথা থাকলেও পুলিশ নোটিশ পাঠিয়ে তা নিষেধ করেছিল।
এই ঘটনায় সিজেপির আরও দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়েছে এবং তাঁরা বর্তমানে পাঁচ দিনের কারা হেফাজতে রয়েছেন। উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার পুলিশ একই দিনে আইসা নেতা নেহা বোরা এবং সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকেকে আটক করেছিল।