বাংলাদেশ    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

Copyright © 2026 • All Rights Reserved

উপকূল রক্ষায় ১৯ বিলিয়ন বিনিয়োগে বাঁচবে ৩৬০ বিলিয়ন ডলার


মধুপুর নিউজ ২৪
ডেস্ক রিপোর্ট, ১১ ফলোয়ার
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০০ এএম

উপকূল রক্ষায় ১৯ বিলিয়ন বিনিয়োগে বাঁচবে ৩৬০ বিলিয়ন ডলার
উপকূলীয় অঞ্চলগুলো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রবৃদ্ধির উপেক্ষিত চালিকাশক্তি। প্রতীকী ছবি

উপকূলীয় সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক অর্থায়ন বাড়লেও প্রয়োজনের তুলনায় তা এখনো যথেষ্ট নয়। এডিবির প্রতিবেদন অনুসারে, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উপকূলীয় অর্থনীতিগুলোতে আন্তর্জাতিক অভিযোজন অর্থায়ন ২০১৫ সালে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ছিল। ২০২২ ও ২০২৩ সালে তা বেড়ে বছরে গড়ে ১১.৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। কিন্তু অর্থায়ন প্রায় দ্বিগুণ হলেও বড় ঘাটতি রয়ে গেছে। উপকূলীয় স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর বিনিয়োগের প্রধান ভিত্তি সরকারি অর্থায়ন।

বুধবার প্রকাশিত এশিয়া-প্যাসিফিক ক্লাইমেট রিপোর্ট ২০২৬: কোস্টাল রিস্কস অন দ্য রাইজ—অ্যাকশনস ফর আ রেজিলিয়েন্ট ফিউচার শীর্ষক প্রতিবেদনে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এডিবির হিসাব অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার ব্যবস্থা বা অভিযোজনমূলক উদ্যোগ না থাকলে উপকূলীয় বন্যার বার্ষিক ক্ষয়ক্ষতি ২০৫০ সালের মধ্যে বর্তমানের ছয় গুণেরও বেশি এবং ২১০০ সালের মধ্যে প্রায় ২০ গুণ হতে পারে। বর্তমানে এই ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলার।

এডিবির উপকূলবর্তী উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোতে ৪০ কোটিরও বেশি মানুষ সমুদ্র থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাস করেন। অর্থাৎ, এই দেশগুলোর প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনেরও বেশি মানুষ উপকূলের কাছাকাছি থাকেন। ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় বন্যা এবং অন্যান্য জলবায়ুজনিত বিপদের প্রভাব শুধু অবকাঠামো বা অর্থনীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না, সরাসরি আঘাত হানতে পারে মানুষের জীবন-জীবিকা ও বসতিতে।

এডিবির জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের মহাপরিচালক ইয়েভজেনি ঝুকভ বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলগুলো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রবৃদ্ধির উপেক্ষিত চালিকাশক্তি। কিন্তু সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান বিপদের মুখে সেগুলো পিছিয়ে পড়ছে। তার কথায়, মানুষকে নিরাপদ রাখা এবং অর্থনীতিকে সচল রাখার জন্য দীর্ঘমেয়াদি, অভিযোজনযোগ্য ও ঝুঁকি-সচেতন সমাধান নিয়ে এখনই পদক্ষেপ করা প্রয়োজন।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মধুপুরে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার পানির প্রকল্প উদ্বোধন

মধুপুরে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার পানির প্রকল্প উদ্বোধন

মাঠে ব্রাজিল হারল, ঘরে হারল রতনের প্রাণ!

মাঠে ব্রাজিল হারল, ঘরে হারল রতনের প্রাণ!

দিল্লির আন্দোলনে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে মশালমিছিল

দিল্লির আন্দোলনে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে মশালমিছিল

বাংলাদেশের আকাশে জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ অদৃশ্য

বাংলাদেশের আকাশে জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ অদৃশ্য

মধুপুরে ৩১টি এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানে সৌদি সরকারের খেজুর বিতরণ

মধুপুরে ৩১টি এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানে সৌদি সরকারের খেজুর বিতরণ

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা, শীর্ষে দিল্লি

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা, শীর্ষে দিল্লি

নিরাপত্তার ঝুঁকিতে সৌদি যুবরাজ, দফায় দফায় সরানো হচ্ছে

নিরাপত্তার ঝুঁকিতে সৌদি যুবরাজ, দফায় দফায় সরানো হচ্ছে

চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী

চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী

নোয়াখালীতে গ্যারেজে যৌথ অভিযান, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

নোয়াখালীতে গ্যারেজে যৌথ অভিযান, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রশংসিত ওসি মনোয়ার

নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রশংসিত ওসি মনোয়ার

মধুপুর নিউজ ২৪

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


উপকূল রক্ষায় ১৯ বিলিয়ন বিনিয়োগে বাঁচবে ৩৬০ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

উপকূলীয় সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক অর্থায়ন বাড়লেও প্রয়োজনের তুলনায় তা এখনো যথেষ্ট নয়। এডিবির প্রতিবেদন অনুসারে, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উপকূলীয় অর্থনীতিগুলোতে আন্তর্জাতিক অভিযোজন অর্থায়ন ২০১৫ সালে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ছিল। ২০২২ ও ২০২৩ সালে তা বেড়ে বছরে গড়ে ১১.৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। কিন্তু অর্থায়ন প্রায় দ্বিগুণ হলেও বড় ঘাটতি রয়ে গেছে। উপকূলীয় স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর বিনিয়োগের প্রধান ভিত্তি সরকারি অর্থায়ন।

বুধবার প্রকাশিত এশিয়া-প্যাসিফিক ক্লাইমেট রিপোর্ট ২০২৬: কোস্টাল রিস্কস অন দ্য রাইজ—অ্যাকশনস ফর আ রেজিলিয়েন্ট ফিউচার শীর্ষক প্রতিবেদনে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এডিবির হিসাব অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার ব্যবস্থা বা অভিযোজনমূলক উদ্যোগ না থাকলে উপকূলীয় বন্যার বার্ষিক ক্ষয়ক্ষতি ২০৫০ সালের মধ্যে বর্তমানের ছয় গুণেরও বেশি এবং ২১০০ সালের মধ্যে প্রায় ২০ গুণ হতে পারে। বর্তমানে এই ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলার।

এডিবির উপকূলবর্তী উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোতে ৪০ কোটিরও বেশি মানুষ সমুদ্র থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাস করেন। অর্থাৎ, এই দেশগুলোর প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনেরও বেশি মানুষ উপকূলের কাছাকাছি থাকেন। ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় বন্যা এবং অন্যান্য জলবায়ুজনিত বিপদের প্রভাব শুধু অবকাঠামো বা অর্থনীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না, সরাসরি আঘাত হানতে পারে মানুষের জীবন-জীবিকা ও বসতিতে।

এডিবির জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের মহাপরিচালক ইয়েভজেনি ঝুকভ বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলগুলো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রবৃদ্ধির উপেক্ষিত চালিকাশক্তি। কিন্তু সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান বিপদের মুখে সেগুলো পিছিয়ে পড়ছে। তার কথায়, মানুষকে নিরাপদ রাখা এবং অর্থনীতিকে সচল রাখার জন্য দীর্ঘমেয়াদি, অভিযোজনযোগ্য ও ঝুঁকি-সচেতন সমাধান নিয়ে এখনই পদক্ষেপ করা প্রয়োজন।


মধুপুর নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক:
মোঃ হাবিবুর রহমান

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সংবাদ শুনুন
উপকূল রক্ষায় ১৯ বিলিয়ন বিনিয়োগে বাঁচবে ৩৬০ বিলিয়ন ডলার
0:00 / 0:00
1x