বাংলাদেশ    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

Copyright © 2026 • All Rights Reserved

যেদিন প্রথম জ্বলেছিল ঢাকার বৈদ্যুতিক বাতি


মধুপুর নিউজ ২৪
ডেস্ক রিপোর্ট, ১১ ফলোয়ার
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০১ এএম

যেদিন প্রথম জ্বলেছিল ঢাকার বৈদ্যুতিক বাতি
আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে বৈদ্যুতিক বাতি উদ্বোধন আয়োজনের কল্পিত চিত্র

সন্ধ্যার অন্ধকার ভেদ করে ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার আহসান মঞ্জিলে জ্বলে ওঠে প্রথম বৈদ্যুতিক বাতি। নবাব আহসানউল্লাহর আমন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কলকাতা থেকে আসা রাজস্ব বোর্ডের সচিব সি ডব্লিউ বোল্টন সুইচ টিপে আলোর সূচনা করেন। অসুস্থতার কারণে বাংলার ছোট লাট স্যার জন উডবার্নের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি আসতে পারেননি।

নগরবাসীর দুর্দশা লাঘব এবং আধুনিকায়নের জন্য নবাব আহসানউল্লাহ প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা ব্যয়ে এই বিজলি বাতি স্থাপনের ব্যবস্থা করেন। পরের দিন ৮ ডিসেম্বর ঢাকা প্রকাশ পত্রিকায় এ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ঢাকাবাসীর বিস্ময় ও আনন্দের কথা তুলে ধরা হয়। আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে সংরক্ষিত তথ্যেও সেদিনকার এই ঐতিহাসিক ঘটনার নানা স্মৃতিচিহ্ন এখনও সুরক্ষিত রয়েছে।

শুরুতে গ্যাসের বাতি বসানোর পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তীতে নবাব আহসানউল্লাহ সরাসরি বিদ্যুতের বাতি স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এই উদ্দেশ্যে গঠিত দ্য ঢাকা ইলেকট্রিক লাইট ট্রাস্টের তহবিলে তিনি সাড়ে চার লাখ টাকা দান করেছিলেন। ঐতিহাসিক এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাত্র ৯ দিন পর ১৯০১ সালের ১৬ ডিসেম্বর হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

পরবর্তীতে ইংল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেসার্স অক্টাভিয়াস স্টিল অ্যান্ড কোম্পানির মাধ্যমে হাতিরপুল এলাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র স্থাপিত হয়। ১৯১৯ সালে ডেভকোর আত্মপ্রকাশের পর ঢাকায় বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে ২৯ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মধুপুরে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার পানির প্রকল্প উদ্বোধন

মধুপুরে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার পানির প্রকল্প উদ্বোধন

মাঠে ব্রাজিল হারল, ঘরে হারল রতনের প্রাণ!

মাঠে ব্রাজিল হারল, ঘরে হারল রতনের প্রাণ!

দিল্লির আন্দোলনে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে মশালমিছিল

দিল্লির আন্দোলনে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে মশালমিছিল

বাংলাদেশের আকাশে জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ অদৃশ্য

বাংলাদেশের আকাশে জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ অদৃশ্য

মধুপুরে ৩১টি এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানে সৌদি সরকারের খেজুর বিতরণ

মধুপুরে ৩১টি এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানে সৌদি সরকারের খেজুর বিতরণ

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা, শীর্ষে দিল্লি

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা, শীর্ষে দিল্লি

নিরাপত্তার ঝুঁকিতে সৌদি যুবরাজ, দফায় দফায় সরানো হচ্ছে

নিরাপত্তার ঝুঁকিতে সৌদি যুবরাজ, দফায় দফায় সরানো হচ্ছে

চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী

চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী

নোয়াখালীতে গ্যারেজে যৌথ অভিযান, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

নোয়াখালীতে গ্যারেজে যৌথ অভিযান, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রশংসিত ওসি মনোয়ার

নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রশংসিত ওসি মনোয়ার

মধুপুর নিউজ ২৪

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


যেদিন প্রথম জ্বলেছিল ঢাকার বৈদ্যুতিক বাতি

প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সন্ধ্যার অন্ধকার ভেদ করে ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার আহসান মঞ্জিলে জ্বলে ওঠে প্রথম বৈদ্যুতিক বাতি। নবাব আহসানউল্লাহর আমন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কলকাতা থেকে আসা রাজস্ব বোর্ডের সচিব সি ডব্লিউ বোল্টন সুইচ টিপে আলোর সূচনা করেন। অসুস্থতার কারণে বাংলার ছোট লাট স্যার জন উডবার্নের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি আসতে পারেননি।

নগরবাসীর দুর্দশা লাঘব এবং আধুনিকায়নের জন্য নবাব আহসানউল্লাহ প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা ব্যয়ে এই বিজলি বাতি স্থাপনের ব্যবস্থা করেন। পরের দিন ৮ ডিসেম্বর ঢাকা প্রকাশ পত্রিকায় এ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ঢাকাবাসীর বিস্ময় ও আনন্দের কথা তুলে ধরা হয়। আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে সংরক্ষিত তথ্যেও সেদিনকার এই ঐতিহাসিক ঘটনার নানা স্মৃতিচিহ্ন এখনও সুরক্ষিত রয়েছে।

শুরুতে গ্যাসের বাতি বসানোর পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তীতে নবাব আহসানউল্লাহ সরাসরি বিদ্যুতের বাতি স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এই উদ্দেশ্যে গঠিত দ্য ঢাকা ইলেকট্রিক লাইট ট্রাস্টের তহবিলে তিনি সাড়ে চার লাখ টাকা দান করেছিলেন। ঐতিহাসিক এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাত্র ৯ দিন পর ১৯০১ সালের ১৬ ডিসেম্বর হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

পরবর্তীতে ইংল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেসার্স অক্টাভিয়াস স্টিল অ্যান্ড কোম্পানির মাধ্যমে হাতিরপুল এলাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র স্থাপিত হয়। ১৯১৯ সালে ডেভকোর আত্মপ্রকাশের পর ঢাকায় বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে ২৯ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।


মধুপুর নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক:
মোঃ হাবিবুর রহমান

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সংবাদ শুনুন
যেদিন প্রথম জ্বলেছিল ঢাকার বৈদ্যুতিক বাতি
0:00 / 0:00
1x