বাংলাদেশ    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

Copyright © 2026 • All Rights Reserved

সাটুরিয়ায় সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ


মধুপুর নিউজ ২৪
ডেস্ক রিপোর্ট, ১১ ফলোয়ার
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০০ এএম

সাটুরিয়ায় সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার চরতিল্লী বাজারে মেসার্স জমশের আলী ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। দুই কৃষকের দাবি, দোকানে সরকারি মূল্য তালিকা টাঙানো থাকলেও তাঁদের কাছ থেকে ডিএপি সার বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত দোকানটির কর্মচারী মোঃ বাবুল হোসেন।

দোকানটি কার্ডধারী খুচরা সার বিক্রেতা হিসেবে পরিচিত এবং এর স্বত্বাধিকারী মোঃ কলিমুদ্দিন। দোকানে টাঙানো তালিকা অনুযায়ী, প্রতি ৫০ কেজির বস্তা ইউরিয়া সারের দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা, ডিএপি ১ হাজার ৫০ টাকা, টিএসপি ১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং এমওপি ১ হাজার টাকা নির্ধারিত রয়েছে। এই হিসেবে প্রতি কেজি ডিএপি সারের দাম ২১ টাকা হওয়ার কথা থাকলেও কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি বস্তা সার ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উত্তর চরতিল্লী গ্রামের কৃষক মোঃ বাবুল হোসেন অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রতি বস্তা ডিএপি সার ২ হাজার ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। অপর কৃষক মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, তাঁর কাছ থেকে একবার ১ হাজার ৮০০ টাকা এবং আরেকবার ২ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মতে, সরকারি মূল্য তালিকার সঙ্গে বিক্রয়মূল্যের এই পার্থক্যের কারণে তাঁরা মারাত্মকভাবে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এদিকে কৃষকদের আনা এই অভিযোগ অস্বীকার করে দোকানটির কর্মচারী মোঃ বাবুল হোসেন বলেন, তিনি ওই দুই ব্যক্তির কাছে কোনো ডিএপি সার বিক্রি করেননি। তাঁর দাবি, কৃষকরা অন্য দোকান থেকে সার কিনে এখন তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলছেন। সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির এই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষকেরা।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মধুপুরে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার পানির প্রকল্প উদ্বোধন

মধুপুরে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার পানির প্রকল্প উদ্বোধন

মাঠে ব্রাজিল হারল, ঘরে হারল রতনের প্রাণ!

মাঠে ব্রাজিল হারল, ঘরে হারল রতনের প্রাণ!

দিল্লির আন্দোলনে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে মশালমিছিল

দিল্লির আন্দোলনে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে মশালমিছিল

বাংলাদেশের আকাশে জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ অদৃশ্য

বাংলাদেশের আকাশে জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ অদৃশ্য

মধুপুরে ৩১টি এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানে সৌদি সরকারের খেজুর বিতরণ

মধুপুরে ৩১টি এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানে সৌদি সরকারের খেজুর বিতরণ

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা, শীর্ষে দিল্লি

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা, শীর্ষে দিল্লি

নিরাপত্তার ঝুঁকিতে সৌদি যুবরাজ, দফায় দফায় সরানো হচ্ছে

নিরাপত্তার ঝুঁকিতে সৌদি যুবরাজ, দফায় দফায় সরানো হচ্ছে

চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী

চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী

নোয়াখালীতে গ্যারেজে যৌথ অভিযান, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

নোয়াখালীতে গ্যারেজে যৌথ অভিযান, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রশংসিত ওসি মনোয়ার

নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রশংসিত ওসি মনোয়ার

মধুপুর নিউজ ২৪

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


সাটুরিয়ায় সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার চরতিল্লী বাজারে মেসার্স জমশের আলী ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। দুই কৃষকের দাবি, দোকানে সরকারি মূল্য তালিকা টাঙানো থাকলেও তাঁদের কাছ থেকে ডিএপি সার বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত দোকানটির কর্মচারী মোঃ বাবুল হোসেন।

দোকানটি কার্ডধারী খুচরা সার বিক্রেতা হিসেবে পরিচিত এবং এর স্বত্বাধিকারী মোঃ কলিমুদ্দিন। দোকানে টাঙানো তালিকা অনুযায়ী, প্রতি ৫০ কেজির বস্তা ইউরিয়া সারের দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা, ডিএপি ১ হাজার ৫০ টাকা, টিএসপি ১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং এমওপি ১ হাজার টাকা নির্ধারিত রয়েছে। এই হিসেবে প্রতি কেজি ডিএপি সারের দাম ২১ টাকা হওয়ার কথা থাকলেও কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি বস্তা সার ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উত্তর চরতিল্লী গ্রামের কৃষক মোঃ বাবুল হোসেন অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রতি বস্তা ডিএপি সার ২ হাজার ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। অপর কৃষক মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, তাঁর কাছ থেকে একবার ১ হাজার ৮০০ টাকা এবং আরেকবার ২ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মতে, সরকারি মূল্য তালিকার সঙ্গে বিক্রয়মূল্যের এই পার্থক্যের কারণে তাঁরা মারাত্মকভাবে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এদিকে কৃষকদের আনা এই অভিযোগ অস্বীকার করে দোকানটির কর্মচারী মোঃ বাবুল হোসেন বলেন, তিনি ওই দুই ব্যক্তির কাছে কোনো ডিএপি সার বিক্রি করেননি। তাঁর দাবি, কৃষকরা অন্য দোকান থেকে সার কিনে এখন তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলছেন। সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির এই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষকেরা।


মধুপুর নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক:
মোঃ হাবিবুর রহমান

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সংবাদ শুনুন
সাটুরিয়ায় সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ
0:00 / 0:00
1x