বাংলাদেশ    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

Copyright © 2026 • All Rights Reserved

মধুপুরে জমি বিক্রি ও চাষাবাদে বাধার অভিযোগ


মধুপুর নিউজ ২৪
ডেস্ক রিপোর্ট, ১১ ফলোয়ার
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০১ পিএম

মধুপুরে জমি বিক্রি ও চাষাবাদে বাধার অভিযোগ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা ক্রয়কৃত জমি বিক্রি ও চাষাবাদে বাধা দেওয়া এবং হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে মধুপুর প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফজলুল হক মনি নামক এক ব্যক্তি।

লিখিত বক্তব্যে ফজলুল হক মনি তাঁর জমির মালিকানা, দখল এবং সাম্প্রতিক বিরোধের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, ১৯৫৯ সালের ৩১ জুলাই তাঁর চাচা দুদু মিয়া সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে তাঁর ও তাঁর বড় ভাই তোফাজ্জল হোসেনের নামে ১০৭ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি হস্তান্তর করেন। এর মধ্যে তাঁর অংশ ছিল ৫৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

তিনি আরও জানান, ১৯৮২ সালের ১০ নভেম্বর তাঁর বাবা কালা মিয়া একই দাগ থেকে হেবা দলিলের মাধ্যমে তাঁকে আরও ২২ শতাংশ জমি দেন। দুটি দলিলের ভিত্তিতে পুন্ডুরা মৌজার সিএস খতিয়ান নম্বর ৩৩-এর ৩৫৪ দাগ এবং হাল দাগ নম্বর ৫০৪-এর অন্তর্ভুক্ত মোট ৭৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ জমির মালিক তিনি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জমিগুলো ভোগদখল করে আসছেন এবং সেখানে আনারস ও সেগুনের বাগান করেছেন।

তাঁর ছোট ভাই বকুল মিয়া ১৯৭৯ সালে একই দাগ থেকে হেবা দলিলের মাধ্যমে জমি পেয়েছিলেন বলে তিনি জানান। বকুল মিয়ার মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং তাঁকে হয়রানি করা শুরু হয়। সম্প্রতি নিজের অংশ বিক্রির জন্য ক্রেতা নিয়ে জমি মাপতে গেলে বকুল মিয়ার ছেলেরা গালিগালাজ ও হুমকি দেন।

ফজলুল হক মনি সংবাদ সম্মেলনে জানান যে গত প্রায় সাত মাস ধরে তিনি জমি বিক্রি করতে পারছেন না এবং চাষাবাদেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে তিনি ও তাঁর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পৌরসভায় শালিস এবং জমি মাপার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিবাদীপক্ষ উপস্থিত হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর গত ২৮ সেপ্টেম্বর উভয় পক্ষের দলিলপত্র ও বক্তব্য শুনে পুলিশ শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ দখলে থাকার পরামর্শ দেয়। কোনো পক্ষ সন্তুষ্ট না হলে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। পরিশেষে তিনি জমির বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মধুপুরে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার পানির প্রকল্প উদ্বোধন

মধুপুরে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার পানির প্রকল্প উদ্বোধন

মাঠে ব্রাজিল হারল, ঘরে হারল রতনের প্রাণ!

মাঠে ব্রাজিল হারল, ঘরে হারল রতনের প্রাণ!

দিল্লির আন্দোলনে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে মশালমিছিল

দিল্লির আন্দোলনে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে মশালমিছিল

বাংলাদেশের আকাশে জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ অদৃশ্য

বাংলাদেশের আকাশে জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ অদৃশ্য

মধুপুরে ৩১টি এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানে সৌদি সরকারের খেজুর বিতরণ

মধুপুরে ৩১টি এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানে সৌদি সরকারের খেজুর বিতরণ

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা, শীর্ষে দিল্লি

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা, শীর্ষে দিল্লি

নিরাপত্তার ঝুঁকিতে সৌদি যুবরাজ, দফায় দফায় সরানো হচ্ছে

নিরাপত্তার ঝুঁকিতে সৌদি যুবরাজ, দফায় দফায় সরানো হচ্ছে

চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী

চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী

নোয়াখালীতে গ্যারেজে যৌথ অভিযান, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

নোয়াখালীতে গ্যারেজে যৌথ অভিযান, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রশংসিত ওসি মনোয়ার

নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রশংসিত ওসি মনোয়ার

মধুপুর নিউজ ২৪

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


মধুপুরে জমি বিক্রি ও চাষাবাদে বাধার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইলের মধুপুরে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা ক্রয়কৃত জমি বিক্রি ও চাষাবাদে বাধা দেওয়া এবং হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে মধুপুর প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফজলুল হক মনি নামক এক ব্যক্তি।

লিখিত বক্তব্যে ফজলুল হক মনি তাঁর জমির মালিকানা, দখল এবং সাম্প্রতিক বিরোধের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, ১৯৫৯ সালের ৩১ জুলাই তাঁর চাচা দুদু মিয়া সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে তাঁর ও তাঁর বড় ভাই তোফাজ্জল হোসেনের নামে ১০৭ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি হস্তান্তর করেন। এর মধ্যে তাঁর অংশ ছিল ৫৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

তিনি আরও জানান, ১৯৮২ সালের ১০ নভেম্বর তাঁর বাবা কালা মিয়া একই দাগ থেকে হেবা দলিলের মাধ্যমে তাঁকে আরও ২২ শতাংশ জমি দেন। দুটি দলিলের ভিত্তিতে পুন্ডুরা মৌজার সিএস খতিয়ান নম্বর ৩৩-এর ৩৫৪ দাগ এবং হাল দাগ নম্বর ৫০৪-এর অন্তর্ভুক্ত মোট ৭৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ জমির মালিক তিনি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জমিগুলো ভোগদখল করে আসছেন এবং সেখানে আনারস ও সেগুনের বাগান করেছেন।

তাঁর ছোট ভাই বকুল মিয়া ১৯৭৯ সালে একই দাগ থেকে হেবা দলিলের মাধ্যমে জমি পেয়েছিলেন বলে তিনি জানান। বকুল মিয়ার মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং তাঁকে হয়রানি করা শুরু হয়। সম্প্রতি নিজের অংশ বিক্রির জন্য ক্রেতা নিয়ে জমি মাপতে গেলে বকুল মিয়ার ছেলেরা গালিগালাজ ও হুমকি দেন।

ফজলুল হক মনি সংবাদ সম্মেলনে জানান যে গত প্রায় সাত মাস ধরে তিনি জমি বিক্রি করতে পারছেন না এবং চাষাবাদেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে তিনি ও তাঁর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পৌরসভায় শালিস এবং জমি মাপার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিবাদীপক্ষ উপস্থিত হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর গত ২৮ সেপ্টেম্বর উভয় পক্ষের দলিলপত্র ও বক্তব্য শুনে পুলিশ শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ দখলে থাকার পরামর্শ দেয়। কোনো পক্ষ সন্তুষ্ট না হলে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। পরিশেষে তিনি জমির বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


মধুপুর নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক:
মোঃ হাবিবুর রহমান

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সংবাদ শুনুন
মধুপুরে জমি বিক্রি ও চাষাবাদে বাধার অভিযোগ
0:00 / 0:00
1x