বাংলাদেশ    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

Copyright © 2026 • All Rights Reserved

চে গুয়েভারার শেষ মুহূর্ত ও মৃত্যুর রহিত ইতিহাস


মধুপুর নিউজ ২৪
ডেস্ক রিপোর্ট, ১১ ফলোয়ার
প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০০ পিএম

চে গুয়েভারার শেষ মুহূর্ত ও মৃত্যুর রহিত ইতিহাস
চে গুয়েভারার ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ‘লস আমিগোস’ পানশালার সম্মুখভাগ। এই গ্রামেই ১৯৬৭ সালে চেকে হত্যা করা হয়েছিল। লা হিগেরা, সান্তা ক্রুজ, বলিভিয়া, ৮ অক্টোবর ২০১৭ছবি: রয়টার্স

ফেলিক্স রদ্রিগেজ কিউবান বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ও সিআইএর কর্মী হিসেবে বলিভিয়ায় ‘ফেলিক্স রামোস’ ছদ্মনামে কাজ করতেন। চে ধরা পড়ার পর তিনি উড়ে যান লা হিগেরায় এবং রেডিওতে নিশ্চিত হন বন্দী সত্যিই চে। হেলমসের মেমো বলছে, চে জিজ্ঞাসাবাদে রাজি না হলেও কিউবার অর্থনীতি, ফিদেল কাস্ত্রো এবং গেরিলা আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলাপে আপত্তি করেননি।

বলিভিয়ায় কৃষকদের সাড়া না পেয়ে হতাশ হলেও চে জানান যে তাঁর আদর্শই জিতશે এবং তিনি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত ছিলেন। রদ্রিগেজ চেকে জীবিত রাখতে সিআইএর লাপাজের স্টেশনপ্রধানকে বার্তা পাঠালেও তা দেরিতে পৌঁছায়। এর আগেই বলিভিয়ার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা চেকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন এবং বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে লাপাজ থেকে হত্যার আদেশ আসে।

গুলি চালানোর দায়িত্ব পাওয়া সৈনিক মারিও তেরান জানান যে চে তাঁকে বলেছিলেন, আমাকে মারতে এসেছেন, শান্ত হোন, ঠিকমতো নিশানা করুন। হেলমসের মেমো অনুযায়ী চে তাঁর স্ত্রীকে আবার বিয়ে করতে এবং ফিদেল কাস্ত্রোকে আমেরিকা মহাদেশে বিপ্লব জেগে ওঠার কথা বলতে বলেন। গুলি চালানোর পর রদ্রিগেজ চের রোলেক্স ঘড়িটি নিয়ে নেন এবং পরে তাঁর মরদেহ ভায়েগ্রান্দের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মৃত্যুর পর পরিচয় নিশ্চিত করতে চের দুই হাত কেটে ফেলা হয় এবং আঙুলের ছাপ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ১৯৯৭ সালের ২৮ জুন বলিভিয়ার ভায়েগ্রান্দের একটি গণকবর থেকে চে গুয়েভারার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত ও অনুসন্ধানের পর এই ঐতিহাসিক সত্যগুলো মার্কিন গোপন নথি এবং বিভিন্ন বিবরণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মধুপুরে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার পানির প্রকল্প উদ্বোধন

মধুপুরে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার পানির প্রকল্প উদ্বোধন

মাঠে ব্রাজিল হারল, ঘরে হারল রতনের প্রাণ!

মাঠে ব্রাজিল হারল, ঘরে হারল রতনের প্রাণ!

দিল্লির আন্দোলনে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে মশালমিছিল

দিল্লির আন্দোলনে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে মশালমিছিল

বাংলাদেশের আকাশে জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ অদৃশ্য

বাংলাদেশের আকাশে জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ অদৃশ্য

মধুপুরে ৩১টি এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানে সৌদি সরকারের খেজুর বিতরণ

মধুপুরে ৩১টি এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানে সৌদি সরকারের খেজুর বিতরণ

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা, শীর্ষে দিল্লি

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা, শীর্ষে দিল্লি

নিরাপত্তার ঝুঁকিতে সৌদি যুবরাজ, দফায় দফায় সরানো হচ্ছে

নিরাপত্তার ঝুঁকিতে সৌদি যুবরাজ, দফায় দফায় সরানো হচ্ছে

চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী

চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী

নোয়াখালীতে গ্যারেজে যৌথ অভিযান, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

নোয়াখালীতে গ্যারেজে যৌথ অভিযান, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রশংসিত ওসি মনোয়ার

নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রশংসিত ওসি মনোয়ার

মধুপুর নিউজ ২৪

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


চে গুয়েভারার শেষ মুহূর্ত ও মৃত্যুর রহিত ইতিহাস

প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ফেলিক্স রদ্রিগেজ কিউবান বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ও সিআইএর কর্মী হিসেবে বলিভিয়ায় ‘ফেলিক্স রামোস’ ছদ্মনামে কাজ করতেন। চে ধরা পড়ার পর তিনি উড়ে যান লা হিগেরায় এবং রেডিওতে নিশ্চিত হন বন্দী সত্যিই চে। হেলমসের মেমো বলছে, চে জিজ্ঞাসাবাদে রাজি না হলেও কিউবার অর্থনীতি, ফিদেল কাস্ত্রো এবং গেরিলা আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলাপে আপত্তি করেননি।

বলিভিয়ায় কৃষকদের সাড়া না পেয়ে হতাশ হলেও চে জানান যে তাঁর আদর্শই জিতશે এবং তিনি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত ছিলেন। রদ্রিগেজ চেকে জীবিত রাখতে সিআইএর লাপাজের স্টেশনপ্রধানকে বার্তা পাঠালেও তা দেরিতে পৌঁছায়। এর আগেই বলিভিয়ার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা চেকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন এবং বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে লাপাজ থেকে হত্যার আদেশ আসে।

গুলি চালানোর দায়িত্ব পাওয়া সৈনিক মারিও তেরান জানান যে চে তাঁকে বলেছিলেন, আমাকে মারতে এসেছেন, শান্ত হোন, ঠিকমতো নিশানা করুন। হেলমসের মেমো অনুযায়ী চে তাঁর স্ত্রীকে আবার বিয়ে করতে এবং ফিদেল কাস্ত্রোকে আমেরিকা মহাদেশে বিপ্লব জেগে ওঠার কথা বলতে বলেন। গুলি চালানোর পর রদ্রিগেজ চের রোলেক্স ঘড়িটি নিয়ে নেন এবং পরে তাঁর মরদেহ ভায়েগ্রান্দের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মৃত্যুর পর পরিচয় নিশ্চিত করতে চের দুই হাত কেটে ফেলা হয় এবং আঙুলের ছাপ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ১৯৯৭ সালের ২৮ জুন বলিভিয়ার ভায়েগ্রান্দের একটি গণকবর থেকে চে গুয়েভারার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত ও অনুসন্ধানের পর এই ঐতিহাসিক সত্যগুলো মার্কিন গোপন নথি এবং বিভিন্ন বিবরণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।


মধুপুর নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক:
মোঃ হাবিবুর রহমান

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সংবাদ শুনুন
চে গুয়েভারার শেষ মুহূর্ত ও মৃত্যুর রহিত ইতিহাস
0:00 / 0:00
1x